দেশের এই রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে এক হাত তুললেই ছোঁয়া যায় মেঘ, পর্যটক এখানে আসেন মেঘ ধরতে

Spread the love


ভারতীয় রেল হল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক, যেখানে বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন লাইন থেকে শুরু করে দেশের ক্ষুদ্রতম রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম সবই মেলে। তালিকায় রয়েছে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলস্টেশনের নামও। অনেকেই অবশ্য সেই রেলস্টেশনটির নাম শোনেননি। বার অনেকেই হয়তো শুনেছেন। স্টেশনের নাম ঘুম। স্টেশনে রেল চলাচল শুরু হয়েছিল ১৮৮১ সালে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঘুম স্টেশনের উচ্চতা ২,২৫৮ মিটার। দার্জিলিং থেকে মাত্র ঘুমের দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত টয় ট্রেনটিও এই স্টেশন দিয়ে চলে। (All photo credit :wikimedia commons)

মেঘের দেশের স্টেশন

পথের মাঝে নির্মিত এই স্টেশনে দেশ বিদেশের পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। এই স্টেশনে দাঁড়িয়েই সেখানকার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। এখান থেকে মেঘের দল এমনভাবে ভেসে যায় যে মনে হয় এখুনি হাত দিয়ে ছোঁয়া যাবে। একমুঠো মেঘ নিয়ে ব্যাগে পুরে পাখলেই হয়। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার টয় ট্রেনটি ঘুমের মধ্য দিয়ে যায়।

ঘুম রেলওয়ে স্টেশন

ঘুম রেলওয়ে স্টেশন

নিউ জলপাইগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথটি বেশ দীর্ঘ। তাই বেশিরভাগ পর্যটকই ঘুম স্টেশন থেকে দার্জিলিং যাওয়ার টয় ট্রেনে যান। রেলস্টেশন সংলগ্ন ঘুম শহরে একটি রেলওয়ে জাদুঘরও রয়েছে। এই জাদুঘরে ঘুম রেলওয়ে স্টেশনের ২০০ বছরের পুরানো নানা তথ্য পাওয়া যায়।

দার্জিলিঙের আঁকা বাঁকা পথ

দার্জিলিঙের আঁকা বাঁকা পথ

দার্জিলিং থেকে ঘুম যাওয়ার সময়, চোখে পড়বে বাতাসিয়া লুপ। এটি আসলে ট্রেনের ট্র্যাকের একটি মোড়। এখানকার চারপাশের সৌন্দর্য মন্ত্রমুগ্ধ করে দেয়। এখান থেকে নজরে পড়বে তুষার বোঝাই পাহাড় চূড়া।

বাঁকা ট্র্যাক তৈরির কারণ

বাঁকা ট্র্যাক তৈরির কারণ

পার্বত্য অঞ্চলে উঁচু স্থানে সরাসরি চড়াই পেরিয়ে ওঠা দারুণ কষ্টকর। তাই সরাসরি আরোহণ এড়াতে এখানে আঁকাবাঁকা ট্র্যাক তৈরি করা হয়েছিল। ১৯১৯ সালে নির্মিত এই লুপটি যেন এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

বিশ্বের সর্বোচ্চ স্টেশন তিব্বতে অবস্থিত

বিশ্বের সর্বোচ্চ স্টেশন তিব্বতে অবস্থিত

বিশ্বের সর্বোচ্চ রেললাইন এবং সর্বোচ্চ স্টেশনটি তিব্বতে অবস্থিত। তিব্বতের টাংগুলা রেলওয়ে স্টেশনটি বিশ্বের সর্বোচ্চ স্টেশন। এই স্টেশনে কোনও রেল কর্মচারী চোখে পড়বে না। এখানে সবকিছু স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে। এটি ১ জুলাই ২০০৬ এ খোলা হয়েছিল।



Source link