গরমের ছুটিতে মামা বাড়ির বদলে বাচ্চাদের নিয়ে যেতে পারেন বাজেট ফ্রেন্ডলি এই ৫ জায়গায়

Spread the love


মে-জুন মাস পড়লেই শৈশবের দিনগুলির কথা মনে পড়ে যায়। সেই সময় গরমের ছুটি পড়লেই সবই মামার বাড়িতে ছুটত। সেটাই যেন ছিল অলিখিত নিয়ম। যাদের মামাবাড়ি বাড়ির কাছেই থাকত তাদের কথা অবশ্য আলাদা। তারা পিসি, মাসিদের বাড়ি গিয়ে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাত। কিন্তু যাদের মামা বাড়ি দূরের কোথাও হত তাদের ছিল পোয়াবারো। আজকাল অবশ্য সেসব বালাই নেই। মামার বাড়ি, পিসির বাড়ি, দিদার বাড়ি এখন অতীত। আজকাল ছোটোরাও বাইরে কোথাও বেড়াতে যেতে যায়। গরমে পাহাড়ই তাদের পছন্দ।
তাহলে এবার বাড়ির খুদে সদস্যের ইচ্ছাপূরণের প্রস্তুতি নেওয়া যাক। এবারের গরমের ছুটিতে তাদের চমৎকার সব জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যেতে পারেন। আজ সে সব স্থানের হদিশ দেব সেখানে বেড়াতে গেলে বেশি খরচই হবে না। আবার বাচ্চা-বড় সকলের মনই ভালো হয়ে যাবে। (All photo credit: istock.com)

দার্জিলিং

আমাদের পাহাড়ের রানি দার্জিলিং এমন একটি জায়গা, যা ছোটোদের কাছে বরাবরই প্রিয় ভ্রমণ স্থল। এই শহরের যে জিনিসটি তাদের সবার আগে পছন্দ তা হল এখানকার টয় ট্রেন। এতে চেপে যাত্রীরা পুরো দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধরে দার্জিলিং শহরের মনোরম দৃশ্য দেখতে পাবেন। শুধু তাই নয়, এই শৈল শহরের ম্যালে ভ্রমণ, চায়ের কাপে চুমুক, টাইগার হিলের উপর সূর্যোদয় এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার রাজকীয় চেহারাও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে বেড়াতে যেতে খরচ পড়বে প্রায় ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মতো।

নৈনিতাল

নৈনিতাল

বিখ্যাত এবং দিল্লির কাছাকাছি হওয়ায় নৈনিতাল শৈল শহরটিও কারও থেকে কম যায় না। গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে তাই সন্তানকে নিয়ে এই শহরে যেতে পারেন। এখানে অনেক বেড়ানো জায়গা রয়েছে। ঘুরে আসতে পারেন নৈনি লেক থেকে, সেখানে বোটিং করতে পারেন। কাছাকাছি চলে যেতে পারেন নয়না দেবী মন্দিরেও। শুধু তাই নয়, এখানকার রাস্তার ধারে ছোটোদের প্রিয় খাবার দাবরের পসরা সাজানো থাকে। এখানকার পাহাড়গুলোয় যাতায়াতের জন্য রোপওয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। নৈনিতাল ঘুরতে খরচ হতে পারে প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা।

সিমলা

সিমলা

ছোটোদের নিয়ে সিমলাতেও বেড়াতে যেতে পারেন। শহরের গরম থেকে স্বস্তি পেতে মে-জুন মাসে কয়েকদিনের জন্য সিমলা হতে পারে আদর্শ স্থান। গ্রীষ্মাবকাশ কাটাতে সিমলার চেয়ে ভালো এবং সস্তা স্থান বুঝি হয় না। সিমলার মল রোড, দ্য রিজ, কুফরি, চাইল ইত্যাদি দর্শনীয় স্থান। দিল্লি থেকে সিমলার দূরত্ব ৮ থেকে ৯ ঘন্টার পথ। এই ভ্রমণের জন্য খরচ হতে পারে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকার মতো।

উটি

উটি

বাজেট সামান্য বাড়াতে পারলে ঘুরে আসতে পারে উটি থেকেও। তামিলনাড়ুর এই শৈল শহরটি একেবারে সবুজ রঙের। তার মাধে সাদা সাদা ছোপ। আসলে শহরজুড়ে শুধুই সবুজ গাছপালা আর চা বাগান। মাঝে মাঝে ভেসে বেড়া সাদা মেঘ আর কুয়াশা। এই স্থানটি হানিমুন কাপলদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। উটি শহরটি আবার ‘ভারতের স্কটল্যান্ড’ নামেও পরিচিত। চার থেকে পাঁচ দিনের ছুটি কাটানোর জন্য উটি দারুণ জায়গা। এখানে রোজ গার্ডেন, /সবুজ পাহাড়, ঐতিহাসিক ভবন, চা বাগান এবং আরও অনেক কিছু ঘুরে দেখতে পারেন। এখানে বেড়াতে যেতে খরচ হতে পারে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা।

সিকিম

সিকিম

গরমের ছুটি কাটাতে ঘুরে আসতে পারেন ভারতের সবচেয়ে সুন্দর এবং সাশ্রয়ী পর্যটনকেন্দ্র সিকিম থেকে। আবশ্য শুধু গরমকালই নয়, সিকিমে সারা বছরই বেড়াতে যাওয়া যায়। শীতে পুরো রাজ্যটি সাদা তুষারে ঢেকে যায়। এখানে তিব্বতি বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাব প্রকট। এখানে হিমালয়ের সৌন্দর্য অসাধারণ। এখানকার স্থানীয় খাবারগুির স্বাদের কোনও তুলনই হয় না। সিকিম ঘুরতে জন প্রতি খরচ হতে পারে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা।



Source link